কোন প্রিন্টার কিনা উচিত নয়
খুব সস্তা ও অজানা ব্র্যান্ডের প্রিন্টার
অস্বাভাবিক কম দামের প্রিন্টার সাধারণত নিম্নমানের যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি হয়। এসব প্রিন্টারে দ্রুত সমস্যা দেখা দেয়, প্রিন্ট কোয়ালিটি খারাপ হয় এবং কিছুদিন পর কার্টিজ বা পার্টস সহজে পাওয়া যায় না। দীর্ঘমেয়াদে এগুলো সময় ও টাকা দুটোই নষ্ট করে।
যেসব প্রিন্টারের কার্টিজ অস্বাভাবিকভাবে দামী
কিছু প্রিন্টারের মূল দাম কম হলেও ইনক বা টোনারের দাম অত্যন্ত বেশি হয়। ফলে অল্পদিন ব্যবহারেই প্রিন্টারের দামের চেয়ে বেশি খরচ হয়ে যায়। এমন প্রিন্টার ব্যবহারকারীর জন্য অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর।
যেসব প্রিন্টারের সার্ভিস সাপোর্ট নেই
যে প্রিন্টারের দেশে বা এলাকায় সার্ভিস সেন্টার নেই, সেগুলো কেনা উচিত নয়। সামান্য সমস্যার জন্যও প্রিন্টার দীর্ঘদিন অকেজো পড়ে থাকতে পারে, যা কাজের বড় ক্ষতি করে।
পুরনো প্রযুক্তির প্রিন্টার
খুব পুরনো মডেলের প্রিন্টার সাধারণত ধীরগতির হয়, বিদ্যুৎ বেশি খরচ করে এবং আধুনিক কম্পিউটার বা অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সঠিকভাবে কাজ করে না। ভবিষ্যৎ ব্যবহার বিবেচনায় এসব প্রিন্টার এড়িয়ে চলাই ভালো।
অতিরিক্ত ফিচারযুক্ত কিন্তু অপ্রয়োজনীয় প্রিন্টার
অনেক সময় এমন প্রিন্টার কেনা হয় যার ফিচার ব্যবহারই করা হয় না। অপ্রয়োজনীয় ফিচারের কারণে দাম বেশি হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ জটিল হয়ে যায়। প্রয়োজনের সাথে মিল না থাকলে এমন প্রিন্টার কেনা উচিত নয়।
ব্যবহৃত বা রিফারবিশড প্রিন্টার
আগে ব্যবহৃত প্রিন্টারে হেড, রোলার বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত থাকে। শুরুতে সস্তা মনে হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই মেরামতের খরচ বেড়ে যায়, যা নতুন প্রিন্টারের চেয়েও ব্যয়বহুল হতে পারে।
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ করে এমন প্রিন্টার
যেসব প্রিন্টার বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে সেগুলো দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে নিয়মিত প্রিন্টের কাজে এগুলো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর।
যেসব প্রিন্টারের ইনক দ্রুত শুকিয়ে যায়
কিছু ইনকজেট প্রিন্টারে নিয়মিত ব্যবহার না করলে ইনক শুকিয়ে যায় বা নোজল বন্ধ হয়ে যায়। যারা কম প্রিন্ট করেন, তাদের জন্য এমন প্রিন্টার কেনা উচিত নয়।

.jpg)